নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত একজনের মৃতু্য হয়েছে। আব্দুস সামাদ বুধবার (১২ মার্চ) ভোর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তিনি উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কাউয়াগড় গ্রামের মৃত আঞ্জব আলীর পুত্র ।
এ ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা দেন নিহতের বড় ভাই আব্দুল মান্নান। পুলিশ ওই মামলায় দিলাল ও সফিক নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৮ মার্চ শনিবার পারিবারিক বিরোধের জেরে কাউয়াগড় গ্রামের ওয়ারিছ আলী গংরা একই গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়ির লোকজনদের বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে।
এ ঘটনায় বাড়িওয়ালা মান্নানের ছোট ভাই সামাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এদিকে প্রথম দফা বিষয়টি আপসে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন স্থানীয় মুরব্বিরা। পরক্ষণে প্রতিপক্ষের ওয়ারিছ আলী ও নওশাদ আলীর নির্দেশে দিলাল, মিজান, সফিক, সমুজ, সৈরত গংরা দেশিয় অস্ত্রসহ প্রতিপক্ষের আব্দুস সামাদকে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে।
এ ঘটনায় রবিবার ( ৯ মার্চ) দোয়ারাবাজার থানায় ১১ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন আহত সামাদের বড় ভাই আব্দুল মান্নান।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, অভিযোগ দায়েরের পর দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।